অধ্যক্ষ মুহাম্মদ শামশুজ্জামান হেলালী। যিনি একজন খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ। এছাড়াও একাধারে একজন রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক ও জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর থাকাকালীন চট্টগ্রাম উন্নয়ন ও পরিকল্পনা স্টান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হন। এ সময় তিনি নগরের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রাখেন। চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে ‘৯৫ এর মাষ্টারপ্লান করে অনুসরণ করে ব্যাপক স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহন করেন। ব্যক্তিগত জিবনে তিনি সদাহাস্যজ্জল সজ্জন, ভদ্র ও মার্জিত স্বভাবের ইসলামী বক্তা হিসেবে পরিচিত। পারিবারিক জীবনে তিনি ৪ সন্তানের জনক। সমাজের দুস্থ, দরিদ্র ভাগ্যহত মানুষের ভাগ্যন্নয়নে তিনি নিয়মিতভাবে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি ১৯৭৬ সালের ২০ জানুয়ারি মঙ্গলবার সাতকানিয়ার কাঞ্চনা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জম্মগ্রহণ করেন। পিতা আব্দুস সাত্তার মাতা ইসলাম খাতুন। ৪ ভাই ২ বোনের মধ্যে তিনি সর্বকনিষ্ঠ।

কর্মজীবন

চেতনা

ছোটবেলা থেকেই মানুষের উপকার করা, জনহিতকর কাজ করা, যেখানে সমস্যা সেখানেই সমাধানের চেষ্টা করা তার প্রধান চেতনা হিসেবে দাড়িয়েছে। বৃহত্তর জীবনে এসে সম্পূর্ণ দ্বীনি চেতনায় সমাজকর্মী হিসেবে নিরন্তর মানুষের কল্যাণে কাজ করাই তার প্রধান হবি। ছাত্রজীবন থেকেই বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সমাধান ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশের জন্য নিরন্তর কাজ করে চলেছেন।

সামাজিক জীবন

তিনি অব্যাহতভাবে সমাজ উন্নয়ন ও সংশোধনমুলক কাজ করে যাচ্ছেন। তার এইসব জনহিতকর কর্মে হাজারো মানুষ এখনও উপকৃত হচ্ছে। শত শত বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হয়েছে। তার এসব জনহিতকর কর্মসূচি সমাজকে আলোকিত করে চলছে নিয়মিত। তার এ মানবসেবার পরিধি ক্রমশ সারাদেশে দেশে দিতে তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এখন তিনি শুধুমাত্র একজন ব্যাক্তি নন একটি ইনষ্টিটিউশন হিসেবে পরিগণিত। যার ফলে চট্টলাবাসীর হৃদয়ে তার জন্য একটি স্থায়ী আসন পাকাপোক্ত হয়ে রয়েছে।

সামাজিক কর্ম

তিনি চট্টগ্রামকে তিলোত্তমা নগরী হিসেবে গড়তে কার্যকরী পরিকল্পনা ও উন্নয়নে বিশেষ অবদানের আমরা চাটগাঁবাসীর সূর্যসেন পদক-২০১৪ লাভ করেন। সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সম্মাননা লাভ করেন। রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক সমিতি, ইসলামী সমাজ কল্যাণ পরিষদ, আমরা চাটগাঁবাসী আজীবন সদস্য পদ লাভ করেন। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আলোকিত সমাজ বিনির্মাণের কারিগর হিসেবে ভূমিকা রাখেন।

রাজনৈতিক অবদান

সব ধরনের অসৎ নেতৃত্বের অবসান করে সুন্দর ও ভারসাম্যপূর্ণ একটি দেশ গঠনের স্বপ্ন নিয়ে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন। ছাত্র আন্দোলনের বিভিন্ন দাপে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাধারণ ছাএ ছাএীদের অধিকার আদায়ে ‘সাধারণ ছাত্র পরিষদ’র আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ভুমিকা রাখার উদ্দেশ্যে তিনি বাংলাদেশে সর্বস্থরে সৎ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার কর্মসূচিধারী একমাত্র সংগঠন ‘জামায়াতে ইসলামী’তে ২০০১ সালে যোগদান করেন।
সেই থেকে এই পর্যন্ত একটি সৎ ও আদর্শ ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের নিমিত্তে সব ধরনের গণ আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সরকারী বেসরকারী সকল গণসম্পৃক্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নে অবদান রেখেছেন। ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ৮ নং শুলকবহর ওয়ার্ডের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনকল্যাণে ব্যাপক উন্নয়ন ও অবদান রেখেছেন।

জনউন্নয়ন কর্মকান্ড

২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত কাউন্সিলর হিসেবে ৮ নং শুলকবহর ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়নে অনন্য সাধারণ ভুমিকা পালন করেন। তাছাড়া তিনি চসিকের নগর উন্নয়ন ও পরিকল্পনা স্টান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান থাকার সুবাদে তার প্রিয় শহর চট্টগ্রামের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন। নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে জাইকার (১২০০) বারশ কোটি টাকার প্রকল্পটি কোঅর্ডিনেট করেন। চসিকের রাজস্ব বিভাগীয় আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান থাকাকালীন রাজস্ব উন্নয়নে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে যুগান্তকারি অবদান রাখেন।

শিক্ষা বিস্তার

সমাজ কর্মী হিসেবে সমাজ উন্নয়নের বৃহত্তর পরিসরে কাজ করার অভিপ্রায়ে ২ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরাস‌রি পরিচালনা ও অসংখ্য প্রতিষ্ঠান গড়ার ক্ষেত্রে ব্যাপক অবদান রাখেন।
চসিকের শিক্ষা স্টান্ডিং কমিটিসহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্টান্ডিং কমিটির সদস্য হিসেবে শিক্ষাবিস্তারসহ চট্টগ্রামের উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখেন।

বক্তব্য ও সাহিত্য

লেখালেখি

কিছু কথা এলাকাবাসীর কাছে

আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন।
ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা সায়্যিদিল মুরসালিন, ওয়া আলা আলিহি ওয়া আসহাবিহি আজমাঈন।

আসলামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।

সম্মানিত এলাকাবাসী, সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মােবারকবাদ। ২০১০ ইং সালের জুন মাস থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় ৫টি বৎসর চট্টগ্রাম সিটি কপোরেশনে আপনাদের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে খেদমত করার সুযােগ পেয়েছি। এজন্য কৃতজ্ঞতার সাথে সকলকে অন্তরের অন্তস্থল থেকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। বিগত দিন গুলােতে সর্বপ্রথম আমি ওয়ার্ড কার্যালয়ে নাগরিক অধিকার ফিরিয়ে, হয়রানি মুক্ত, ওয়ানস্টপ সার্ভিস চালু করে সর্বোত্তম সেবা প্রদান করার চেষ্টা করেছি। স্বাধীনতার পর থেকে আজ অবদি ওয়ার্ড কাযালয়টি সংস্কারবিহীন ব্যবহৃত হওয়ায় তা জরাজীর্ণ , ঝুঁকিপূর্ণ ও আসবাবপত্রের অভাবে এক প্রকার পরিত্যক্ত ভবনে পরিণত হয়। যাতে নাগরিক সেবা দেয়া কঠিন হয়ে পড়ে। কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েই এ সমস্যা নিরসনে নতুন ওয়ার্ড কার্যালয় নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি যার ফসল আমাদের নতুন ৮নং শুলকবহর ওয়ার্ড কার্যালয়। সেবার মান বাড়ানাের লক্ষ্যে এলাকাবাসীর কাংখিত সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। সম্মানিত সচেতন এলাকাবাসী, শুলকবহর ভৌগলিক ও জনসংখ্যার বিচারে একটি বৃহৎ ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডের প্রতিটি কোণে উন্নয়নের ছােয়া। পৌছানাে নি:সন্দেহে কষ্টসাধ্য কিন্তু এ কঠিন কাজটি আমি আমার আন্তরিকতার সহিত যথাযথ ভাবে সম্পন্ন। করার চেষ্টা করেছি। শতাব্দী হাউজিং থেকে বাদুরতলা পর্যন্ত প্রতিটি জনপদের চাহিদাকে সামনে রেখে উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করেছি। যার বাস্তব সাক্ষী সচেতন এলাকাবাসী। সকল হাউজিং সােসাইটি, পাড়া-মহল্লা, সমাজের সকল স্তরের নাগরিক সুবিধার জন্য ব্রীজ, কালবার্ট, রাস্তা, নালার পরিষ্কার করণসহ ব্যাপক উন্নয়নের চেষ্টা করেছি যা অতীতের সকল উন্নয়নকে ছাড়িয়ে যায়। আলহামদুলিল্লাহ। সিটি কর্পোরেশন ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রায় দশটি গভীর ও অগভীর নলকূপ স্থাপন করে পিছিয়ে পড়া। জনগােষ্ঠির সুপেয় পানির ব্যবস্থা করেছি। যা অব্যাহত থাকবে। ইনশাআল্লাহ।। পবিত্র মাহে রমজানের সময়গুলােতে দরিদ্র মানুষ যাতে স্বাচ্ছন্দের সাথে সিয়াম সাধনা পালন করতে পারে তার জন্য প্রতি বছর প্রায় ৩ হাজার পরিবারকে ইফতার সামগ্রী ও দরিদ্র জনগােষ্ঠীর ঘরে ঈদের আনন্দ দানের জন্য। ঈদ সামগ্রী বিতরণ এলাকাবাসীর নজর কাড়ে। পাশা-পাশি শীতকালে গরীব ও অসহায়দের মাঝে গড়ে প্রতি। বছর ১৫০০-২০০০ কম্বল বিতরণ সম্পন্ন করেছি। এছাড়া বন্যার্তদের সাহায্যে শুকনাে খাবার বিতরণসহ আশ্রয় প্রদান করার চেষ্টা করেছি। দরিদ্র ছেলেদের ফ্রি খৎনা ক্যাম্পের মাধ্যমে মানবিক দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করেছি। গরীব মেয়েদের বিবাহে বিভিন্ন সাহায্য, ফ্রি চিকিৎসা সহায়তাসহ বিভিন্ন কাজে আমার সহযােগিতার হাত ছিল সব সময় প্রসারিত।। সম্মানিত এলাকাবাসী, শুলকবহরে বয়স্ক ভাতা নেয়ার মত অভাবী এখন নেই বললেই চলে। সমাজ সেবা দপ্তরের মাধ্যমে প্রায়। ৫০০জন অসহায়, সুবিধা বঞ্চিত, বৃদ্ধ/বৃদ্ধাকে এ ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযােগিতা করেছি। প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রতিবন্ধী ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে শুলকবহর ওয়ার্ড একটি অনুস্মরণীয় মডেল । ইউ.এন.ডি.পির। সহযােগিতায় স্যানিটেশন সুবিধা দেয়া, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে ক্ষুদ্র নারী ব্যবসায়ীরা। স্বাবলম্বী হচ্ছেন, এক্ষেত্রে শুলকবহর ওয়ার্ডের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযােগিতা ও বিভিন্ন এন,জি,ও কে সার্বিক নির্দেশনা ও সহযােগিতা করেছি।

সম্মানিত এলাকাবাসী, অত্র ওয়ার্ডের সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাজী হােসাইন আহমদ চৌধুরী সিটি কর্পোরেশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে রূপান্তর করে অত্র এলাকার ছাত্র/ছাত্রীদের পড়ালেখার সুযােগ অবারিত করার চেষ্টা করেছি। নিজ উদ্যোগে অসংখ্যা প্রতিষ্ঠান গড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সহযােগিতা করে শিক্ষার অগ্রগতিতে ভূমিকা পালন করছি। সকল মানুষের নাগরিক। সমাজসেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে সুবিচার ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি। আমি ৮নং শুলকবহর ওয়ার্ডবাসীর কাছে আশা করি এবারের নির্বাচনেও আপনারা আপনাদের মূল্যবান রায়। দিয়ে সৎ, যােগ্য প্রার্থীকেই নির্বাচিত করবেন এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে অত্র এলাকাকে একটি মডেল ওয়ার্ডে পরিণত করার পুনরায় সুযােগ করে দিবেন। সম্মানিত এলাকাবাসী, কাজ করতে গিয়ে নানা প্রতিকুলতার সম্মুখীন হয়েছি তবুও সেবা প্রদানে পিছপা হইনি। পাশাপাশি শুলকবহর। বাসির ভালােবাসা, আন্তরিকতা সকল বাধা ও প্রতিকুলতাকে অতিক্রম করতে আমাকে নি:সন্দেহে সাহস ও প্রেরণা যুগিয়েছে। পরিকল্পিত উন্নয়ন ও সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা তৈরী করেছে। আসন। “সাদা” কে “সাদা” “কালাে”কে “কালাে” সত্য মিথ্যার মানদণ্ডকে মেনে সুপথে জীবন যাপন করি। প্রতিহিংসা নয়, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ, বিদ্বেষ নয়, প্রতিযােগিতাই হােক আমাদের আগামীর উন্নয়নমুখী পথচলা। আমরা শুলকবহর বাসীর ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারাকে অক্ষুন্ন রেখে যে কাজগুলাে এখনাে হয়নি তা। সম্পন্ন করি। পাশাপাশি জলাবদ্ধতা দূরীকরণের সব বাধা অতিক্রম করে জলাবদ্ধতার হাত থেকে। এলাকাবাসীকে মুক্ত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করি। সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সমস্যা সমাধানে এক কাতারে সামীল হই। এই আমার দৃঢ় প্রত্যয়। আসুন! আপনাদের সহযােগিতায় যে উন্নয়ন ও কাজের অগ্রগতি শুরু হয়েছে তা অব্যাহত রাখি। সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি। সর্বশেষে কৃতজ্ঞতা জানাই, আমার সম্মানিত এলাকাবাসীকে আরাে কৃতজ্ঞতা জানাই মাননীয় মেয়র আলহাজ্ব এম মনজুর আলমকে। যিনি নিজেই গুলকবহর ওয়ার্ডের উন্নয়নে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করেছেন । কৃতজ্ঞতা জানাই মাননীয় সাবেক সফল মন্ত্রী আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ আল নােমান সাহেবকে, যিনি সব সময় সকল ক্ষেত্রে আমাকে সহযােগিতা করেছেন। কৃতজ্ঞতা জানাই মাননীয় সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ডা: আফসারুল আমিন (এম পি) সাহেবকে, যিনি আমার উন্নয়নে ব্যাপক সহযােগিতা করেছেন। কৃতজ্ঞতা জানাই এলাকার সকল পেশাজীবী, মহল্লা-কমিটি, হাউজিং সােসাইটির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সমিতির নেতৃবৃন্দ, মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ, সকল ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, শ্রমিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন পরিবহন শ্রমিক নেতৃবৃন্দ। ক্লাব নেতৃবৃন্দ ও বস্তিবাসীসহ সকল রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে, যারা সবসময় দলমতের উর্ধ্বে উঠে আমাকে অকুণ্ঠ সমর্থন ও সহযােগিতা করেছেন।
মা-আসসালাম।

অধ্যক্ষ মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালী কাউন্সিলর, ৮নং শুকলবহর ওয়ার্ড চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

এলবাম

Copyright by S.J Helaly - Designed by Fahim Mahmud